ভাঁজ না খোলা শাড়ীর গল্প

রাগ হওয়াই স্বাভাবিক। কেউ যদি আমাকে জ্ঞান দিতে বসে যায়, তোমার ভাঁড়ার উপচিয়ে পড়ছে। কত জিনিস নষ্ট হচ্ছে। যাদের ভাঁড়ার শূন্য। তাদেরকে কিছু দিলেই তো পারো। কেন গরিব কি মানুষ নয়? তাদের কি আত্মসম্মান বলে কোন কিছু নেই? আমার কাছ থেকে তারা ভিক্ষার দান নিতেই বা যাবে কেন? আর আমি একা হাতে কজনের ভাঁড়ার পূর্ণ করতে পারবো? কাউকে দান করা মানে তো আসলেই তার সক্ষমতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। তাকে অসম্মান করা। আমাকে সেই কাজ করতে বললেই হলো? গরিবকে দান অনুদান দিয়ে কোন উপকার করা যায় কি আদৌ? নাকি তাকে আরও বেশি উপার্জনের পথে সক্ষম করে তোলার মতো সমাজিক ও সরকারী নানান প্রকল্পের আওতায় নিয়ে আসার জন্য সঠিক ও সদর্থক পরিকাঠামো গড়ে তোলাই অধিকত যুক্তিসঙ্গত? সেই কাজটি কে করবে? সরকার অর্থাৎ রাষ্ট্র। সমাজের সক্রিয় সহযোগিতায়। সেখানে ব্যক্তি মানুষের ব্যক্তিগত দান অনুদান গরিবের বিশেষ কাজেই আসে না। আসার কথাও নয়।

বিস্তারিত পড়ুন