সর্বজনীন হোমটাস্ক

অনেকেই শীতের লেপ কম্বল সোয়েটার বার করার মতোন, আবার মাস্ক বার করতে বাধ্য হচ্ছেন। রাতদিন সাতদিন করোনা আপডেট দেখতে দেখতে, আবার মৃত্যভয় উঁকিঝুঁকি দিচ্ছে টিভির স্ক্রিন থেকে সকালের কাগজে। এর ভিতরে অমুকের তমুক হাসপাতালে ভর্তি শুনতে হলেই হাত পা সেঁধিয়ে যাওয়ার মতো অবস্থা। দৈনিক মৃত্যুর হার লাফিয়ে লাফিয়ে যত বাড়ছে, মনের ভিতর উৎকণ্ঠা আশংকাও ততই লম্ফঝম্ফ শুরু করে দিচ্ছে। বাইরে বার হলেই চারপাশে করোনার শরীরী উপস্থিতির কল্পনায় হৃৎকম্প যাচ্ছে বেড়ে। এমনকি ভ্যাকসিন নিয়েও রেহাই নেই। শোনা যাচ্ছে, ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় দফার ডোজ নেওয়ার আগেই কেউ কেউ ভ্যানিশ হয়েও যাচ্ছে। অর্থাৎ ভ্যাকসিনের ভিতরেও করোনাভুত। কখন কার ঘার মটকাবে আগে থেকে জানাও যাবে না। না, তাই বলে জনজীবন থেমে নেই। মাস্ক ছাড়া মুখের অভাবও নেই। নির্বাচনী সমাবেশ থেকে ধর্মীয় সমাবেশে সম্ভবত করোনার কোন আগ্রহ নাই। তাই সেখানে জটলা করা লাখ লাখ মানুষ নির্ভয়ে মাস্ক ছাড়াই মুখ দেখাচ্ছে। হাতে হাত মিলিয়ে নেতা ও দেবতার নামে জয়ধ্বনি দিচ্ছে। ভোটের মিছিল আর মেলার মিছিলে মানুষের ভিড়ের চাপে করোনা সম্ভবত দিশেহারা। তাই করোনা আমাদের মতো সাধারণ গৃহপালিত জীবদের ঘরে ঘরে ঢুঁ মেরে চলেছে। এখানে না আছে নেতা, আছে দেবতা। রক্ষাকবচ বলতে ঐ সবেধন নীলমণি মাস্ক। আর হস্তশোধক।

বিস্তারিত পড়ুন