নারদ নারদ

দিনভর নাটক। জমজমাট মিডিয়া। তর্ক বিতর্ক। আইনের কুট কাচালি। সিবিআই ধামাক। এক সাথে তৃণমূলের চার হেভিওয়েট নেতা গ্রেপ্তার। বাদ বিজেপির তিন নেতা। অভিযোগ এক। অপরাধও এক। বিচার প্রক্রিয়ার জালে ধরা হলো এক দলের চার জনকে। অন্যদলের তিনজন এখনো জামাই আদরে সুরক্ষিত। আর এইখানেই চোখের সামনেই দেখা যাচ্ছে, সিবিআই আসলেই কেন্দ্রে নির্বাচিত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীনই শুধু নয়। কেন্দ্রে সরকার গঠনকারী রাজনৈতিক দলের ইচ্ছাধীনও বটে। কর্তায় ইচ্ছায় কর্ম। এটা কিন্তু আজ প্রমাণিত সত্য। এই কারণেই বাংলার জনগণকে আগে থেকেই সাবধান করে দেওয়া হয়েছিল। ডবল ইঞ্জিন সরকার না হলে মুশকিল হতে পারে। ঠিক সেটাই হয়েছে। কারণ প্রত্যেককেই তো সেই অন ক্যামেরা ঘুষ নিতে দেখা গিয়েছিল। ফলে তাঁদের মাথার উপরে গ্রেপ্তারির খাড়া ঝুলছিলই। বাকিদের মতো তারাও সেই ফাঁড়া কাটাতে ডবল ইঞ্জিনেই সওয়ারী হতেন নিশ্চয়। কিন্তু ডবল ইঞ্জিন সরকার হোক বা না হোক। বাংলার জনগণ তারপরেও তাদেরকেই বিপুল ভোটে জয়যুক্ত করেছে। একবার নয় দুই বার। ফলে আমাদের বাংলায় ঘুষ দেওয়া ও নেওয়া বেআইনি বলে মনে করে না কেউ। বরং এটাই রেওয়াজ। যে কোন সাদা কালো কাজ সুসম্পন্ন করার জন্য। এবং সেটাই দেখা গেল আজ আবার। প্রিয় ঘুষখোর নেতাদের গ্রেপ্তারে ক্ষুব্ধ বিক্ষুব্ধ সমর্থকরা বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন। কারণ তাদের ভাবাবেগে আঘাত লেগেছে। একই ঘুষকাণ্ডে দলবদলকারী মীরজাফররা পার পেয়ে যাবে। আর বিশ্বস্ত দলীয় সৈনিকরা ধরা পরবেন এটা তো হতে পারে না।

বিস্তারিত পড়ুন